জাফর ইকবাল , ক্যাডেট এবং আমার মেইলামেইলি

সাম্প্রতিক জাফর ইকবাল স্যার এর প্রথম আলোতে একটা লেখা নিয়ে বেশ তোলপাড় হয়ে গেল। সবাই (আসলে শুধু মাশরুফ) আমাকে বলেছে আমি শুরু করে দিয়ে হারিয়ে গেছি। আসলে ব্যাপার হল আমি একটু ব্যস্ত ছিলাম। তাই ঐ আলোচনায় অংশগ্রহন করতে পারিনি। আমি অবশ্য অনেক কিছু গোপনে গোপনে করেছি। এই ব্লগটা লিখব বলে কাউকে কিছু বলিনি। সবাইকে একসাথেই জানাই। মাশরুফের মেইল পাওয়ার পর আমি জাফর ইকবাল স্যার কে মেইল করি। এরপর ওনার সাথে আমার কিছু মেইলামেইলি হয়। সেই সময় আমি কাউকে কিছু জিজ্ঞেস না করেই কিছু স্বিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারো যদি মনে হয় তপু ভাই/ তপু আমাদের কাউকে কিছু জিজ্ঞেস করল না কেন তাহলে আমি সরি। আমার মেইলামেইলি গুলা শেয়ার করলাম। মেইলামেইলি এখানে

সেন্স অফ প্রোপরসন

অনেক দিন ধরেই কিছু লিখতে পারছিনা,সবার লিখা নীরবে পড়ে যাচ্ছি আর ভাবছি যে কি লেখা যায়।কাল রাতে খবর আমাদের ফাইনাল পরীক্ষা সাতদিন পিছিয়েছে তাই আজকে বসলাম কিছু আমাকে লিখতেই হবে………………………। কি লিখল এতদিন পরে?

ক্যাডেট কলেজ -২০৫০ (প্রথম কিস্তি)

[এই লেখাটা মাশরুফ কে উৎসর্গ করা। এই লেখার থিম ও আমাকে দিয়েছে। কেউ যদি এই লেখা চালাতে চাও আমার আপত্তি নাই। তবে কেউ নাই মনে হয় ঐরকম]

-“ক্যাডেট মাশরুফ আপনি প্লিজ হলুদ বক্সের ভিতরে এসে দাড়ান”
ঘড়ঘড়ে একঘেয়ে যান্ত্রিক গলা শুনেই মেজাজটা খারাপ হয়ে গেল মাশরুফের। শালার বাসা থেকে কলেজে ঢুকার সময়ে এই চেকিংটা না হলেই কি নয়? নতুন ৯ এ উঠেছে ও। কত কিছু যে এইবার নিয়ে এসেছে। না ধরা পড়লেই হয়। চেকের আবার কত রকম বহর দেখ না। যান্ত্রিকভাবে স্ক্যান হবে ওর সারা দেহ। ব্যাগ হবে আরেক জায়গায়। আগে এক সময় নাকি পোলাপান গায়ের মধ্যে বেধে দুষ্টু বই কলেজে ঢুকাতো। গত মাসে রিইউনিয়নে এক ভাইয়া এই কথা বলে গেল। ওরা সবাই হা হয়ে গেছে ওদের এত আরাম দেখে। তখন নাকি স্টাফ বলে একটা জিনিস ছিল ওনারা চেক করত। শালার তাহলে কি আর ওকে এত ভাবতে হয় কিভাবে জিনিস ঢুকাবে। এইসব ভাবতে ভাবতেই হলুদ বক্সের ভিতরে দাঁড়াল ও। তারপর

অপলাপ

[একটু অফ টপিক। একটা কবিতা দিলাম সবার জন্য।]
বাতাসে পাতার শব্দ ।
দূরে কোথায় যেন কিসের কোলাহল,
আমি কান পেতে থাকি কিছু বুঝতে পারিনা।
আবার সব চুপচাপ, নিস্তব্ধ।
আমি কবি নই
তাই বাতাসে পাতার শব্দে গান খুঁজে নিতে পারিনা। বাকিটুকু

শান্টিং

“এই কামরুল এদিকে আস”। শুনেই বুকে দুরুদুরু শুরু হয়ে গেল। লাঞ্চ করে আজ পর্যন্ত একদিন ও সরাসরি রুমে যেতে পারলাম না। আমার রুম নাম্বার ১০১ আর আমার গাইডের রুম নাম্বার হল ১০৫। আমি আসার আগে আগেই কিভাবে যেন উনি এসে ওনার রুমের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন আমি বুঝি না। যেদিন আস্তে আস্তে করে ১০৫ নাম্বার রুমটা পার হয়ে যায় সেদিন খুব সাবধানে একটা হাঁপ ছেড়ে বাঁচি। আসলেই কি বাঁচা গেল?

টিভি রুম @ক্যাডেট কলেজ

বহুদিন ধরে এক সাথে খেলা বা টিভি দেখা হয়না। একা থাকি ৪ বছর হয়ে গেছে। তাই এইগুলার জন্য আফসোস ও এখন আর হয়না। গত ২ বছর আগে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখেছিলাম একজনের সাথে নেটে বসে। দুজনে নেটে বসে ভয়েস করি আর টিভির খেলা দেখি । মন্দের ভাল আর কি। কিন্তু সিসিবি এসে অনেক পুরান পুরান আক্ষেপ নতুন করে এনে দিয়েছে। আক্ষেপ পড়ুন

অনুপস্থিত একটি মাসের দিনলিপি

অনেক দিন পরে এখানে কিছু লিখছি। আমি আমার জায়গা শিফট করেছি। নতুন জায়গায় আমাকে উঠতে দিবে এপ্রিল এর ১ তারিখ আর আমাকে আমার আগের জায়গা ছাড়তে হয়েছে মার্চের ২০ তারিখ। মাঝের ১০ টা দিন উদ্বাস্তু সেজে এখানে ওখানে ঘুরে বেড়িয়েছিলাম। এক জায়গায় আস্তানা গেড়েছিলাম সেখানের ভাইয়া আবার নিজেই ওই বাসায় নতুন এসেছে বলে বাসায় নেট নেই। এমন একটা সময়ে আমি নেট থেকে দূরে গেলাম যখন আমাদের এই সিসিবি টা জম্পেশ জমে উঠেছিল। আমার দিন গুলা কিভাবে কাটত সেটা এত কিছু না বলে খালি বলি যে প্রতি রাতে ঘুমাতে গেলেই কি?