ডাব চুরির ইতিকথা!!

বেশ কিছু দিন ধরে লিখা লিখা করে লিখা হচ্ছে না। আমার একটা ফালতু টাইপ assignment due ছিল আজ। তো assignment এর দোহাই দিয়ে নিজেকে অনেক কষ্টে কন্ট্রোল করেছি। কিন্তু এখন আর পারছি না। গত কয়েক দিন প্রচুর ঘটনা মনে পড়ছিল, কিভাবে লিখব, কিভাবে শুরু করব, টাইটেল কি হবে সব কিছুর খসড়া মনে মনে রেডী। but এখন কিছুই মনে পড়ছেনা। আমার খুব একটা বাজে স্বভাব হইছে ১০/১৫ মিন পর পর এক বার ব্লগ চেক্‌ না করলে কেমন জানি অস্থির অস্থির লাগে। মনে হয় আমি বোধ হয় কিছু মিস্‌ করলাম। আনেক বক্‌ বক্‌ করলাম এখন দেখি একটা ঘটনা লিপিবদ্ধ করি; কি ঘটনা?

সোনালি ডানায়

ক্যাডেট কলেজে থাকতে বয়স আর কতইবা ছিল! ক্লাস টেন-ইলেভেন এ থাকতে পরিচয় শুরু হয়- সুনীল, সমরেশ, সঞ্জীব, বুদ্ধদেব, হুমায়ুন, মানিক বন্দোপাধ্যায়- বাংলা সাহিত্যের এসব প্রথিতযশা সাহিত্যিকদের লেখার সাথে। বয়স কম ছিল বলেই বোধ হয় সে সময় হুমায়ুনের হিমু বেশ নাড়া দিয়ে যেত। হুমায়ুনের একটা বই বেরিয়েছিল ‘চাঁদের আলোয় কয়েকজন যুবক’- আমরা ক’জন নিজেদের অমন জ্যোৎস্না ভরা চাঁদের আলোয় কল্পনা করে শিহরিত হতাম। আমাদের ক্যাডেট কলেজকালীন সময় তো কেবল্‌ টিভি ছিলনা, সিডি-ডিভিডি ছিলনা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কমনরুমে টিভিতে সাপ্তাহিক নাটক, স্টেরিও-প্লেয়ারে গান আর টিচারদের চোখ ফাঁকি দিয়ে নিয়ে যাওয়া ওয়াকম্যানই ছিল ভরসা। বাকিটুকু পড়ুন

আত্মার ডায়রি থেকে: শুধু একটু আদর

১.

“” আমার ভালবাসা, আমার প্রাণপ্রিয়,

এত আনন্দ আমি কীভাবে যে তোমাকে বোঝাব! কোনো ভূমিকা ছাড়াই বলছি, তোমার একটা মেয়ে হয়েছে, একেবারে চাঁদের মত সুন্দর। তুমি বাবা হয়েছ, আর আমি – মা। জানো লক্ষ্মীটি, তোমার মেয়ে একেবারে তোমার মত হয়েছে, তোমার মত ওর কপালের ডানপাশেও একটা তিল আছে। কিন্তু মেয়েটা সারাক্ষণ শুধু কাঁদে, মনে হয় বাবার আদর পেতে চায়। please লক্ষ্মীটি, জলদি চলে আস। জলদি ,জলদি………..। আরও

স্মোকিং

বাকিটুকু

প্রিন্সিপাল কড়চা

আমাদের ক্যাডেট লাইফ এ (১৯৮৬-৯২) আমরা প্রিন্সিপাল পেয়েছি ৩ জন। তিন জনই সিভিলিয়ান। ক্যাডেট জীবনের শুরুতে আমরা ক্লাস সেভেন এ পেয়েছি মোফাজ্জল করিম স্যারকে। তিনি ছিলেন বরিশাল ক্যাডেট কলেজের প্রকল্প পরিচালক এবং অধ্যক্ষ। আমাদের সমকালীন বরিশাল ক্যাডেটের সবচেয়ে জাঁদরেল প্রিন্সিপাল ছিলেন মোফাজ্জল স্যার। তাঁর ভয়ে বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খাওয়ার মত অবস্থা। সম্ভবত তিনি ছিলেন ক্যাডেট কলেজের প্রবীন শিক্ষকদের একজন। ফৌজদারহাট ক্যাডেটের শিক্ষক থাকাকালীন নাসিম (সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল নাসিম) ছিলেন তাঁর ছাত্র। তাই ক্যাডেট কলেজ পরিচালনা পর্ষদেও তাঁর ছিল যথেষ্ট প্রভাব। প্রিন্সিপাল প্যারেড এ টার্ন আউট ইন্সপেকশানের সময় কোনও ক্যাডেটের সু-পলিশ পছন্দ না হলে তিনি পা দিয়ে মাড়িয়ে দিয়ে বলতেন-“কিচ্ছু হয়নি, মুখ দেখা যাচ্ছেনা”! আরও পড়ুন

পরিসংখ্যান…(হিট কাউন্ট)

ওয়ার্ড প্রেসে ব্লগের নীচে হিট কাউন্টার নেই। তাই একটু কায়িক করে সবার জন্য এইখানে দিলে দিলাম। বলেন বিসমিল্লাহ…

বিস্তারিত পড়ুন

আবারও রেক-১

আবারও রেজাউল করিম স্যার। আমাদের সময় (১৯৮৬-৯২) বরিশাল ক্যাডেট কলেজে দুই জন রেজাউল করিম ছিলেন। দুজন’ই প্রভাষক- একজন ভূগোল এর অন্যজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের রেজাউল করিম সিনিয়র তাই তিনি রেক-১ ( মতান্তরেপেরেক ) অন্যজন রেক-২ । আমাদের ক্লাস রুটিনেও এভাবেই তাদের নাম সংক্ষেপিত আকারে লেখা হতো। সায়েন্স এর টিচারদের যেমন ব্যাস্ততা থাকতো, রেক-১ এর ব্যস্ততা সেই তুলনায় নেই বললেই চলে। কেবল ক্লাস সেভেন-এইটের পৌরনীতি আর মানবিক বিভাগের ২/১ টি ক্লাস। তাই বেশীরভাগ সময় মেস ওআইসি, লাইব্রেরি ক্লাসের দায়িত্ব পড়তো রেক-১ এর ওপর। এইজন্যে তিনি শ্লেষ নিয়ে বলতেন-“আমি হইলাম গতর খাটানো টিচার”। রেক-১ তার গতর খাটিয়ে আমাদের প্রাণ ওষ্ঠাগত করে ফেলতেন। আরও পড়ুন