“কিপ ক্যাডেট কলেজ ক্যাম্পেইন”

মুহাম্মদের আগের পোস্টটি পড়ছিলাম যেটি উইকিপিডিয়ার ক্যাডেট কলেজের ইতিহাস বিষয়ক একটি ফিচার নিয়ে লেখা । সেটি পড়তে গিয়েই স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের প্রথম দিকের “কিপ ক্যাডেট কলেজ ক্যাম্পেইন” এর কথা মনে পড়ে গেলো । আমরা অনেকেই হয়তো এটার কথা জানিনা। তাই সবার সাথে শেয়ার করলাম। বিশাল এই আর্টিকেলটি লিখেছেন ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ১৩ তম ব্যাচের খাদেম ভাই। আমাদের এই ব্লগটি যেহেতু বাংলায় তাই আর্টিকেলটা বাংলায় অনুবাদ করে দেয়া উচিত ছিল। কিন্তু চিরাচরিত আইলসা স্বভাবের ক্যাডেট হওয়ায় ডজ দিলাম। আবার এরকম দূর্দান্ত একটা ঘটনা সবার সাথে শেয়ার করার লোভও সামলাতে পারছিনা। ছোট ভাইরা কেউ যদি কষ্ট করে অনুবাদ করে দেয় তাহলে বাধিত হবো।

-কাই‌য়ূম/৩৯ তম/৯২-৯৮/এফ সি সি মূল অংশ পড়ুন

আমাদের মুমিত


মুমিতের সঙ্গে মাঝে-মধ্যে আমার কৃত্রিম ঝগড়া হত। কৃত্রিম ঝগড়ার ক্ষেত্রে বিষয় তেমন একটা গুরুত্ব পায় না। তাই আমাদের বিষয় ছিল নওরীন নামের একটা মেয়ে। ক্যাডেট কলেজে- গেমস টাইমে কিংবা ডিনার থেকে একাডেমিক ব্লকে আসার সময় আমরা নওরীনকে নিয়ে আলোচনা করতাম। মুমিত তার বাচ্চা বাচ্চা হাসিটা নিয়ে আমাকে বলত-
– মহিব, এসব ছাড়। বুঝলি? বাকি অংশ

সংলাপS (এফসিসি)

একঃইন্টার হাউস ফুটবল কম্পিটিশন চলছে। ফজলুল হক বনাম শহীদুল্লাহ হাউস। ফজলুল হক হাউসের ক্যাপ্টেন কাম জেপি সাদেক ভাই। রেফারী স্বয়ং এডজুডেন্ট। খেলার মাঝখানে হঠাৎ সাদেক ভাইকে ডাক দিলেন এডজুডেন্ট। বললেন।
– সাদেক। tell your boys to speak english।
সাদেক ভাই সুবোধ ক্যাডেটের মত উল্টা ঘুরে সবার দিকে তাকিয়ে বললেন।
– বয়েজ। সবাই ইংরেজীতে কথা বল্‌। বাকি সংলাপS পড়ুন

নিষ্ঠজনের আলোয় দেখা


ক্লাস সে�েন ১৯�৮
মূল ইংরেজি প্রবন্ধঃ একরাম কবিরএকজন ক্যাডেট ছাড়া আর কেউ কখনও বুঝতে পারবে না, একেবারে কাঁচা বয়সে সম্পূর্ণ এলিয়েন এক প্রতিষ্ঠানে দিনাতিপাত করতে কেমন লাগে। কেউ বুঝতে পারবে না, ১২ বছর বয়সের এক ছেলে ক্যাডেট কলেজে গিয়ে কি পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। ক্যাডেট ছাড়া আর কারও পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়, কলেজ জীবনের ছয়টি বছরে সকল পানিশমেন্ট, শাসন এবং আনন্দ-নীলের দিনগুলো পেরিয়ে বাস্তব জীবনযুদ্ধে প্রবেশ করতে কেমন লাগে। সে ছাড়া আর কেউ জানতে পাবে না, তার সাথে তার কমরেডদের সম্পর্কটা কেমন, যারা সব একই কলেজ থেকে পাশ করেছে। বাকি অংশ পড়ুন

দূর্গা পূজা


প্রারম্ভিকাঃ
প্রভাষক নিয়ামত উল্লাহ। বিষয়ঃ ইসলাম শিক্ষা। কিন্তু কেন জানি ক্যাডেটদের সকল প্রকার গোপন অনৈসলামিক কর্মকান্ড তার চোখেই ধরা পড়ে। একদিন মোরশেদ সেকেন্ড প্রেপে গভীর মনযোগের সাথে যায়যায়দিনের শাড়ী সংখ্যা পড়ছিল। আরো সঠিকভাবে বলতে গেলে ভক্ষণ করছিল। শরীফ উদ্দিন স্যার – বিশিষ্ট গোয়েন্দা তোফাজ্জল হোসেন স্যার ফর্মে এসে ঘুরে গেলেন। কিন্তু মোরশেদ নির্বিকার। শেষ মুহুর্তে হাত গলিয়ে বের হয়ে যাওয়ার বিশেষ দক্ষতা মোরশেদের আছে। স্যার রাউন্ড দিলেও তাই মোরশেদ তেমন একটা মাথা ঘামায় না। মোরশেদ শাড়ী সংখ্যা পড়ছে এবং চকচকে চোখে হাসছে আর আমরা পৃথিবীর সব অধৈর্য্য নিয়ে বসে আছি কখন শালার পড়া শেষ হবে। হঠাৎ দেখলাম নিয়ামত উল্লাহ স্যার রুমে ঢুকেই মোরশেদের ডেস্কের কাছে এসে হাঁপাতে লাগলেন। বাকি অংশ পড়ুন