কামাল ভাইঃ যাকে যায়না ভোলা

৩১ তম ব্যাচের কামাল ভাই আমার খুব প্রিয় একজন সিনিয়র। উনার দুটো খুব বিখ্যাত উক্তি তুলে দিচ্ছিঃ

১। ব্লাডি মাসরুফ, তুমি আমার সামনে ফল্ট কর!জান ক্যাডেট কলেজের বাইরে থাকলে আমার তোমার বয়েসি ছেলে থাকত??

(ডাইনিং হলে মিল্ক টাইমে লুকিয়ে আরেক সহপাঠির কাছ থেকে খাবার নিতে গিয়ে ধরা খাওয়ার পর) আরো ডায়লগ

সিনিয়র রঙ্গ

(গৌরচন্দ্রিকাঃ পুলাপান সব কি মইরা গেসস নাকি? পরার চাপ থিকা রিলিফ পাইতে সাইট এ আইসা দেখি কুনু লিখা নাই।আছাড় মারতে ইচ্ছা করসে সব কয়টারে(সিনিয়র ভাইরা বাদে)। আমার ফেসবুক এর সাইট থিকা কিসু লিখা তুইলা দিতাসি মনের দুঃখে-তরা ত কেউ লিখস না-বিয়াদব পুলাপান তুম্রা ব্লগ না লিখা কি গানা বাজনা কইরতিসাআআআআও?(ইলিয়াস স্যার এর ভাষায়) থাউক আর কথা না বারায়া লিখা দেইঃ) –……….>

নিষ্ঠজনের আলোয় দেখা


ক্লাস সে�েন ১৯�৮
মূল ইংরেজি প্রবন্ধঃ একরাম কবিরএকজন ক্যাডেট ছাড়া আর কেউ কখনও বুঝতে পারবে না, একেবারে কাঁচা বয়সে সম্পূর্ণ এলিয়েন এক প্রতিষ্ঠানে দিনাতিপাত করতে কেমন লাগে। কেউ বুঝতে পারবে না, ১২ বছর বয়সের এক ছেলে ক্যাডেট কলেজে গিয়ে কি পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। ক্যাডেট ছাড়া আর কারও পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়, কলেজ জীবনের ছয়টি বছরে সকল পানিশমেন্ট, শাসন এবং আনন্দ-নীলের দিনগুলো পেরিয়ে বাস্তব জীবনযুদ্ধে প্রবেশ করতে কেমন লাগে। সে ছাড়া আর কেউ জানতে পাবে না, তার সাথে তার কমরেডদের সম্পর্কটা কেমন, যারা সব একই কলেজ থেকে পাশ করেছে। বাকি অংশ পড়ুন

ভালবাসা দিবস ১৯৯৯ এবং ইলিয়াস স্যার এর উক্তি…..

মাত্রই শেষ হয়ে গেল ভালবাসা দিবস এবং আমি sure যে সব এক্স cadet রাই তাদের অর্ধাংগ-ধারিনীদের সাথে দারুন সময় কাটাতে ব্যস্ত।ইয়ে মানে আমার এই valentines dayটা শেষ মেষ একা একাই কাটাতে হলো।কিন্তু আসলেই কি তাই?কোনো প্রাক্তন ক্যাডেট কি একা থাকতে পারে?তার অসংখ্য memory তাকে সঙ্গ দেয়……… বাকি অংশ পড়ুন

একাত্তরের কর্নেল মনজুরুর রহমান


ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ। চীফ কর্নেল মনজুরুর রহমান। এই কলেজের অসম্ভব প্রিয় একটি মুখ।
যুদ্ধের সময় ক্যাডেট কলেজ থেকে সবাই পালিয়ে যান কিন্তু কর্নেল রহমান কয়েকজনের সঙ্গে থেকে যান। মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তার পাশাপাশি তিল তিল করে গড়ে তোলা এই প্রতিষ্ঠান ছেড়ে যেতে তাঁর মন সায় দিচ্ছিল না।
পাক আর্মি ঘিরে ফেলে একদিন এই কলেজ। নেতৃত্ব দিচ্ছিল ১২ পাঞ্জাব রেজিমেন্টের ক্যাপ্টেন ইকবাল। বাকি অংশ পড়ুন