অন্যরকম ক্যাডেট কলেজ -৫

এই ধারাবাহিক উপন্যাসের একেক পর্ব একেকজন লিখবেন। যে কেউ লিখতে পারেন। কেউ যদি পরের পর্ব লিখতে চান তাহলে তাকে এই পর্বে মন্তব্য করে তা বলে দিতে হবে। যিনি আগে বলবেন তিনিই লিখবেন পর্বটি।]
প্রথম পর্ব
দ্বিতীয় পর্ব
তৃতীয় পর্ব
চতুর্থ পর্ব

রাত প্রায় দুইটা। শুনশান নীরবতার মাঝে সামিয়ার পিঠে পিঠ ঠেকিয়ে বসে আছে সাজিদ। জোছনার আলোয় আলোকিত অনেক দূর। মায়াময় সে আলো। একাই আশেপাশের সবার রূপ বদলে দিয়েছে সে। মৃদু স্বরে সাজিদ জিজ্ঞেস করল, –…আরও>

অন্যরকম ক্যাডেট কলেজ -৪

[এই ধারাবাহিক উপন্যাসের একেক পর্ব একেকজন লিখবেন। যে কেউ লিখতে পারেন। কেউ যদি পরের পর্ব লিখতে চান তাহলে তাকে এই পর্বে মন্তব্য করে তা বলে দিতে হবে। যিনি আগে বলবেন তিনিই লিখবেন পর্বটি।]
প্রথম পর্ব
আগের পর্ব

এগারোঃ
অল্প কটা খেয়েই টেবিল থেকে সামিয়ার উঠে যাওয়া দেখে রেহানার মনটাই খারাপ হয়ে গেলো।তাদের এতো হাসিখুশি মেয়েটার এমন পরিবর্তন বাসার কেউই মেনে নিতে পারছেনা।সবচেয়ে কষ্ট হচ্ছে রাতুলের।বাইরে খুব একটা বন্ধু নেই রাতুলের..তাই আপুর কাছেই সব আবদার।এই আপুটাই ওর সব।আল্লাহ যেন ওর আপুটার মন খুব ভালো করে দেয়…মনে মনে আল্লাহর কাছে চায় রাতুল।আপু জানিস আজকে না টিভিতে খুব সুন্দর একটা রান্নার অনুষ্ঠান দেখাবে….দেখ্‌বিনা? কথা বলে সামিয়ার মনটা হাল্‌কা করতে চাইলো রাতুল।রাতুলের কথার কোন উত্তর না দিয়ে রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলো সামিয়া। এরপর?

অন্যরকম ক্যাডেট কলেজ -৩


[এই ধারাবাহিক উপন্যাসের একেক পর্ব একেকজন লিখবেন। যে কেউ লিখতে পারেন। কেউ যদি পরের পর্ব লিখতে চান তাহলে তাকে এই পর্বে মন্তব্য করে তা বলে দিতে হবে। যিনি আগে বলবেন তিনিই লিখবেন পর্বটি।]
প্রথম পর্ব
গত পর্ব

নয়ঃ এরপর কি হল নতুন পর্বে? এখানে পর্ব ৩

অন্যরকম ক্যাডেট কলেজ – ২


[এই ধারাবাহিক উপন্যাসের একেক পর্ব একেকজন লিখবেন। যে কেউ লিখতে পারেন। কেউ যদি পরের পর্ব লিখতে চান তাহলে তাকে এই পর্বে মন্তব্য করে তা বলে দিতে হবে। যিনি আগে বলবেন তিনিই লিখবেন পর্বটি।]
<< গত পর্ব

পাঁচঃ

পরদিন সকাল আটটা নাগাদ একাডেমি ব্লকের সামনে সিআইডি’র গাড়ি এসে থামলো। খুনের একমাত্র পরোক্ষ উইটনেস আব্দুল গাফফারকেই প্রথমে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হল।
– আমিই ফোন করেছিলাম। স্যার কথা শেষ করতে পারেননি। দড়াম করে একটা শব্দ হয়, তারপরই ফোনটা কেটে যায়।
একটু তাড়াহুড়া করেই বললেন, আব্দুল গাফফার।
ক্রাইম সিনে উপস্থিত কারও কথা শোনার সময় একটু বেশীই সতর্ক থাকেন নিখিল চৌধুরী। সমস্যা একটাই তিনি যে খুব সতর্ক তা যে কেউ বুঝে ফেলে। … এরপর?

আমাদের পাণ্ডুলিপি – ২

আগের পর্ব

……
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় সাদা পোষাক পড়া একজন মানুষ এলেন আমাদের রুমে।
– কেমন আছ সবাই?
আমরা সবাই দাঁড়িয়ে গেলাম। হিমেলই প্রথমে কথা বলল।
– জ্বী স্যার। ভালো।
সাদা পোষাক পড়া মানুষটা হেসে দিল।
– আমি স্যার না। আমাকে স্টাফ ডাকবা। বাকি অংশ>>

অন্যরকম ক্যাডেট কলেজ – ১


[[ ব্লগে কলেজের অনেক মজার মজার কথা আমরা সবাই লিখছি। আমাদের নতুন উদ্যোগ- সম্পূর্ণ কাল্পনিক কিছু ঘটনা নিয়ে সাজানো ক্যাডেট কলেজ। এই গল্প যে কেউ লিখতে পারো। আমি শুরু করলাম। পরবর্তী অংশ অন্য কেউ লিখবে। এভাবে চলতে থাকবে। নিয়মটা হল- পরবর্তী অংশ যে লিখবে- তাকে মন্তব্যে বলে দিতে হবে… ঘটনা কীরকম হবে তার কোন বাধ্যবাধকতা নাই।
তাইলে শুরু করা যাক…]] –বাকী অংশ দেখুন>

আমাদের পাণ্ডুলিপি-১


একঃ

– আমি মহিব। তুমি?
ছেলেটা ভেজা ভেজা চোখে আমার দিকে তাকাল। আমি কিছুটা অবাক হলাম। আরে ভাই, কাঁদার কী আছে? আর সাতদিন পরেই তো আমরা বাসায় যাব। বাবা- মা কে ছাড়া কী সাতটা দিন থাকা যায় না? আমি তো ক্লাস সিক্সেও হোস্টেলে থাকতাম। চিটাগাং রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ। আমি ছেলেটার কাঁধে হাত রাখলাম। সাথে সাথে আমারও কান্না কান্না একটা ভাব হল। বাকি অংশ পড়ুন