কয়েকটা জরুরী কথা…

সেইদিন কথায় কথায় ফুয়াদ বলছিল, সাইট বন্ধ হয়ে গেছে কিন্তু আমাদের কোন ইনিশিয়েটিভ নাই। কথা ঠিক না। আসলে কাউকে কিছু জানানো হয় নাই। তারিকের ব্লগে কমেন্ট আকারে লিখতে যেয়ে সেই কথাগুলা বিশাল হয়ে গেছে। তাই পোস্ট করে দিলাম।

কামের কথা কই… বিস্তারিত পড়ুন

চলো আজ ছুটে যাই…(সাইট স্থানান্তর)

অনেকদিন আগে দেখা স্বপ্নকে হালকা আলোর মুখ দেখিয়েছিলাম আমরা কজনা…তারপর সবার আসা-যাওয়ায় তা পেয়েছে পূর্ণতা…

গ্যাঁজানোর টাইম নাই…নতুন বাসা রেডি হয়ে গেছে। চলেন যাই… http://cadetcollegeblog.com

বিঃদ্রঃ

যাদের কমপক্ষে ১ টি ব্লগ রয়েছে তাদের পাসওয়ার্ড (12345). ইউজার নেইম আগেরটাই। শুরুতেই পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নিন। বাকিরা আবার রেজিস্ট্রেশন করুন।

আপাতত এইটাই। বাকি কথা ঐখানে হইবেক।

(এই ব্লগে আর কোন মন্তব্য কিংবা পোস্ট গ্রহণ করা হবেনা)

একজন আশরাফের কথা…

কিরে কি খবর? কেমন কাটলো ফার্স্ট টার্ম…
আর কইসনা…পাঙ্গা খাইতে খাইতে শেষ।
আরে মামু, বিএমএ তে গ্যাছো, পাঙ্গা খাবানা…এইটা কেমন কথা। তা খাইলি কেমন? 😉

আশরাফ এক্কেবারে প্রথমদিন থেকে বর্ণনা শুরু করে। বিস্তারিত পড়ুন

একটি ঘোষণা…(আপডেটেড পোস্ট)

এইটা ক্যাম্বা লাগে….আওয়াজ দেন…

পরিসংখ্যান…(হিট কাউন্ট)

ওয়ার্ড প্রেসে ব্লগের নীচে হিট কাউন্টার নেই। তাই একটু কায়িক করে সবার জন্য এইখানে দিলে দিলাম। বলেন বিসমিল্লাহ…

বিস্তারিত পড়ুন

একটি ঘোষণা

আমরা একটা এক্স-ক্যাডেট টি-শার্ট বানানোর পরিকল্পনা করেছি। ডিজাইন করেছে সামিয়া। সাদা রঙের হাফ হাতা… কলার সহ…ডিজাইনটা দিয়ে দিলাম। বাকী কথা কমেন্ট বক্সে…

বিস্তারিত পড়ুন

ছোট গল্পঃ এক বাক্স আদর…

(নেট থেকে পাওয়া আমার অতি প্রিয় একটা ইংরেজী গল্পের অনুবাদ। লেখকের নাম অজানা…)

বেশ অনেকদিন আগের কথা…এক লোক তার তিন বছর বয়সী মেয়েকে খুব করে বকে দিলেন। ক্রিসমাস উপলক্ষে সোনালী রঙের ড়্যাপিং পেপার কেনা হয়েছিল। মেয়ে সেটা নষ্ট করে ফেলেছে। টাকা পয়সার যা অবস্থা। তাতে নতুন আরেকটা কেনাও সামর্থে কুলাবেনা। বিস্তারিত পড়ুন

হাসতে হাসতে পেট ব্যাথা

তাড়াতাড়ি সবাই এইডা শুনেন।

২.৬ মেগা। ডাউনলোড করে নিতে হবে…

চীনদেশী পণ্য- কিনে হও ধন্য

সে অনেকদিন আগের কথা। বঙ্গদেশে তখন নতুন নতুন মোবাইল এসেছে। বাপ চাচারা ফিলিপ্স ডিগার মতো বিশাল বিশাল সেট নিয়ে ভাঁজ নেন…পকেট থেকে মাঝে মাঝে যন্ত্রখান বের করে তার দিকে আবেগঘন চোখে তাকান আর মনে মনে উচ্চারণ করেন, “আমি পাইলাম, আমি ইহাকে পাইলাম…”

সেদিন গিয়াছে। বড় বড় সেটগুলো ছোট হতে হতে কখনও লিপ্সটিকের সমান হয়ছে। আআআবার বড় হয়েছে। সাথে যুক্ত হয়েছে ক্যামেরা, গান শোনার ব্যবস্থা, নীল দাঁত…কত কি… –আরও…>

তপু কথন…

রাশেদ �াই

নির্ঘুম রাত আজ
মনে পড়ে সেই সাজ
আমাদের গড়া তাজ
ফেলে রাখা শত কাজ
তবু তোমারি খোঁজে এই আমি দিশেহারা……

ক্লাস সেভেনে যখন ঢুকি তখন উনি জুনিয়ার প্রিফেক্ট…টাক মাথা অতিব ভদ্রলোক… –আরও পড়ুন…>

খেলবনা…আড়ি…

মিড শেষ। এই শেষের চিন্তা করে গত কয়েকদিন কত প্ল্যান করেছি ইয়েত্তা নাই। সিরিয়াল জমা পড়ে অনেকগুলা। 4400, Private Practice… কিন্তু পরীক্ষা শেষ হবার সাথে সাথে আর কিছু করতে ইচ্ছা হয় না। সারাদিন নেটে পইড়া থাকি…ব্লগ পড়ি, কমেন্ট দেই। বেশীর ভাগ পোলাপাইন বাসায় চলে গেছে। আমার সেই বাসাতেও যেতে ইচ্ছা করেনা। কেমন যেন একটা কুয়াশা জমে আছে মাথায়… –…আরও পড়ুন…>

অন্যরকম ক্যাডেট কলেজ -৫

এই ধারাবাহিক উপন্যাসের একেক পর্ব একেকজন লিখবেন। যে কেউ লিখতে পারেন। কেউ যদি পরের পর্ব লিখতে চান তাহলে তাকে এই পর্বে মন্তব্য করে তা বলে দিতে হবে। যিনি আগে বলবেন তিনিই লিখবেন পর্বটি।]
প্রথম পর্ব
দ্বিতীয় পর্ব
তৃতীয় পর্ব
চতুর্থ পর্ব

রাত প্রায় দুইটা। শুনশান নীরবতার মাঝে সামিয়ার পিঠে পিঠ ঠেকিয়ে বসে আছে সাজিদ। জোছনার আলোয় আলোকিত অনেক দূর। মায়াময় সে আলো। একাই আশেপাশের সবার রূপ বদলে দিয়েছে সে। মৃদু স্বরে সাজিদ জিজ্ঞেস করল, –…আরও>

ডোমেইন এর নাম দিন…


এতোদিনে সবার জানা হয়ে গেছে যে আমরা ডোমেইন কেনার ধান্ধায় নামছি। এই ধান্ধাবাজীর প্রথম বাধা অর্থাৎ টাকা পয়সা তপু ভাইয়ের কল্যানে সমাধান হয়ে গেছে। দ্বিতীয় যেটা তা হলো কি নাম হবে আমাদের সেই সপ্নের ঠিকানার…1. cadetcollege.com এই নামটা খুব ভাল হয়, কিন্তু একটাই অসুবিধা… ব্লগের সাথে যায়না ঠিক মতো।2. cadetsblog.com এইটাও ভাল…

সবার প্রস্তাব নীচে পেশ করুন…

পলেন, ভাল থাকিস দোস্ত


ম্যাবসে ওর সাথে আমার প্রথম দেখা। দেখা মানে শুধুই দেখা। কথা বার্তা হয়নি। মেয়েদের সাথে কথা বলার চেয়ে তাদের টিজ করার প্রতিই আমার অত্যাধিক আগ্রহ ছিল তখন। পলেন সেবারই প্রথম ম্যাবসে আসে। তার সুন্দর মুখশ্রীটা সবসময় কেমন যেন বিষন্নতার আড়ালে ঢাকা থাকত। ক্লাস টেন এ পড়ি তখন আমরা। গার্লফ্রেন্ড বাছাইয়ের উপযুক্ত সময়। পলেনকে পাওয়া মাত্রই ঝাঁপিয়ে পড়ল অনেকে। সখ্যালঘু সম্প্রদায়ের হলেও আমাদের কলেজের প্রতিনিধিত্ব করল দর্পন চাকু। …..আরও

রগরগে মার্চ


কলেজ থেকে বের হয়েছি মাত্র কয়েকদিন। এর মধ্যেই স্মৃতি ঘোলাটে হতে শুরু করেছে। কত মজার মজার ঘটনা ডায়ালগে মাসের মাসের পর মাস মেতে ছিলাম হাসির উৎসবে, এখন লিখতে গেলে তার কিছুই মনে পড়েনা। আজকে আমাদের ছোট্ট একটা একদিনের রি-ইউনিয়ন ছিল। অনেকের সাথে দেখা হল। পুরান দিনের কথা হল। মনে পড়ে গেল অনেক মজার মজার ডায়ালগ। বিস্তারিত পড়ুন

আজাইরা প্যাচাল ০১

ক্যাডেট কলেজের ছেলেদের অনায়াসে দুই ভাগে ভাগ করে দেয়া যায়। একদল যাদের লক্ষ থাকে প্রচণ্ড বিদ্বান হবার, এই জন্য তারা ত্রিকোণমিতির এসএউ আহমেদের বইয়ের পাশাপাশি হারুনুর রশীদের বইও সমাধানের চেষ্টা চালায়। বাকিদের ‘চির উন্নত মম শির’, মানে হাঁটু-বাহিনীতে যোগ দেয়া আর কি। এই পার্টি পড়ালেখা বাদে কলেজের অনান্য সকল কাজে আত্মনিয়োগ করে। স্যারদের টিজ করা, কোন ফ্রেন্ড কোনদিন ভুল করে কোন শব্দ উচ্চারণ করেছে তা নোট করে বাকিদের জানান দেয়া, কলেজের ডাবগুলো যেন পানি ধারণেরও সময় না পায় তা নিশ্চিত করা, সর্বোপরি তারা যে বস তা সকলে যেন জানতে পারে তার ব্যবস্থা করা। অতন্ত্য গর্বের সাথে বলতে হয় আমি ছিলাম এই পার্টির নেতা গোছের একজন। রাজনীতিতে নেতা হতে চাইলে একজনকে যেমন কিছুদিন হাজত বাস করতে হয়, কলেজেও ঠিক একই ব্যপার। বড় মাপের কয়েকটা ধরা না খেলে কেউ ঠিক নেতা বলে মেনে নিতে চায়না। আমাকেও খেতে হয়েছে। প্রথম বড় মাপের ধরা খাই এসএসসি ‘র উচ্চতর গণিত পরিক্ষার আগের রাতে। বাকি অংশ পড়ুন

কতিপয় ডায়লগ পার্ট , পার্ট ১ সিন ২

এইবারের বেশীরভাগ কাহিনী অন্যের মুখে শোনা। ভুল ভ্রান্তির জন্য মাফ চাই। জনৈক পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। ইন্টারে অনুশীলনীর গানিতিক সমস্যার সবসময় প্রথম অংকটা করাতেন। কেঊ যদি তখন জিজ্ঞাসা করতো, “স্যার ১২ নং অংকটা করিয়ে দেন।” তখন তার উত্তর “ওই একই, একই, same , same” বাকি অংশ পড়ুন

কতিপয় ডায়ালগ। পার্ট-১, সিন-১

 কলেজের অনেক ডায়লগ ভুলে গেছি। যেগুলো মনে আছে তার অনেকগুলোর জন্য অডিও ভিডিও ফাইল আপলোড করা দরকার (নাইলে ব্যপারটা ঠিক আসে না)। আর অনেকগুলোই অন্তর্জালের পরিবেশ দুষিত করার জন্য যথেষ্ট। তাই ভাবলাম শুধু কলেজের ডায়ালগ না দিয়ে এরকম আরও যত ডায়লগ জানি সব জড় করে ফেলি। তবে অবশ্যই ক্যাডেটদের। বাকি অংশ পড়ুন

ক্যাডেট_ক্যাডেট


মুহাম্মদের আগের ব্লগে একটা অতি বাস্তব কথা আছে। সেটা হলো যে, জামিলুর রেজা রসিকতা করে বলেছিলেন- একটা জায়গায় কোন ক্যাডেট থাকলে সে নিজে যে ক্যাডেট ছিল তা অন্য সবাইকে জানানোর জন্য খুবি চেষ্টা করে। বান্দরবন যেয়ে আমি তার আরেকটি উদাহরণ পেলাম। — বাকি অংশ পড়ুন…>

ভ্যারাইটিজ শো এবং আমরা কয়েকজন


ইলেভেনে উঠে আমি প্রথম কলেজের বাইরে যাই। হাতে খড়ি হয় নাজমুল ভাইয়ের (ভাই কারণ টাংগাইলের বেবিস্ট্যান্ড নামক এক বিখ্যাত জায়গায় তিনি যাওয়া মাত্রই নাজমুল ভাই আসছে, নাজমুল ভাই আসছে এই রব উঠে) মাধ্যমে। তখন নব্য প্রেম চলছে আমার। নতুন প্রেমে পড়লে যা হয়, তাহার মুখের বাণী শোনার জন্য পরানটা সর্বদা আনচান করতো। কলেজ থেকে বের হয়ে কিছু দূর হাঁটলেই ফোনের দোকান ছিল। এভাবেই সুচনা। প্রায় প্রতি বৃহঃস্পতিবার বাদ ডিনার এই অভিযান চলতো। ততদিনে ভাইয়ের কল্যাণে অনেকেই অভিযান সম্পর্কে জেনে গেছেন। এবং অনেকেই কলেজ পালানোর স্বাদ গ্রহন করে ফেলেছেন। আমাদের মাথায় তখন ভূত চাপলো বরিশালে জেয়ে বাংলা সিনেমা দেখার। কলেজ থেকে বরিশাল প্রায় ১২ কি.মি। যাতায়াত ব্যবস্থা খুব খারাপ থাকার কারণে যাওটা একটু ঝামেলা ছিল। যাই হোক বাংলা ছিনামার কাছে সেটা নিশ্চই কোন ব্যপার না। …আরও