ঘুমরঙ্গ

আমাদের ক্লাস নাইন আর টেনে জ্যামিতি করাতেন ফাইজুর রহমান স্যার। তার বিখ্যাত “চাপ”-এর কথা আমাদের কলেজে সবারি জানা। সবার কাছেই ভয়ের আর বিরক্তিকর নাম। স্যারের ক্লাসে ঘুমানোর সাহস ত দূরে থাক তাঁর ধারে কাছে কেউ ঘেঁষত না পারতপহ্মে, আমিও পারলে তাই করতাম। কিন্তু আমার কপালে অন্য কিছু ছিল।ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হয়ে আমি পাঁচ মিনিট টাইম পাইলেও ঘুমানোর ট্রেনিং পাই। বাকি অংশ পড়ুন

আফটার দ্য লাইটস আউট

ঘুম। দুই অক্ষরের এতটুকুন একটা শব্দ।অথচ প্রধাণ উপদেষ্টা থেকে রাস্তার ফকির, এমন কাউকে খুজে পাওয়া যাবেনা যার জীবনে ঘুম জিনিসটা আকাঙ্ক্ষিত নয়।ভার্সিটি জীবনে এর বিস্তার মনে হয় আরো বেশি।কত ক্লাস আর ক্লাসটেস্ট যে ঘুমের জন্যে অবলীলায় বিসর্জন দিয়েছি তার হিসাব নেই।মানুষ নাকি দিনে কাজ করে আর রাতে ঘুমায়।কিন্তু ভার্সিটিতে দেখি আমার বেশ কিছু ক্লাসমেট(মাঝে মাঝে আমি সহ) দিনেও ঘুমায় রাতেও ঘুমায়।সেই অর্থে ওরা মানুষ কী না সেই বিতর্কে না গিয়ে বরং ঘুম প্রিয়তার কথাটাই শুধু ভেবে দেখি।

ক্যাডেট কলেজে এত বেশি মাত্রায় ঘুমানোর কোন পথ খোলা নেই। কিন্তু যতটূকু আছে তা লুফে নেয়নি এমন বোকা খুজে পাওয়া খড়ের গাঁদায় সূচ খোঁজার মতই।রাতের বেলা পৌনে এগারোটা থেকে ক্যাডেট কলেজে ঘুমানোর সময় শুরু।যাকে লাইটস অফ বা লাইটস আউট বলা হয়।প্রচলিত আছে ক্যাডেটদের দিন শুরু হয় নাকি রাত থেকে।তাই লাইটস অফের পর থেকে শুধু ঘুমানোর রাজত্ব এমনও কিন্তু নয়।বরং বলা যায় এ সময়ে ঘুম আর জাগরণ এক সাথে জড়াজড়ি করে থাকে। বাকি অংশ পড়ুন

কেন আমি ঋণী?


ক্যাডেট কলেজের কাছে ঋণের কথাই বলছি। গত কয়েক দিন ধরে ভেবে বেশ কিছু কারণ বের করলাম যার জন্য আমার আজীবন ঋণী থাকা উচিত, ক্যাডেট কলেজের কাছে। ব্যাপারগুলো মোটেই হালকা নয়। ভেবে দেখলাম, ক্যাডেট কলেজে না গেলে আমার জীবন একেবারে অন্যরকম হয়ে যেতে পারত এবং সেই জীবন আমার পছন্দ হতো না। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, আমার যে সেই জীবন পছন্দ হচ্ছেনা তা তখন আমি বুঝতেও পারতাম না। কারণ অন্য কোন জীবনের সাথে আমার পরিচয়ও ঘটতো না। সেক্ষেত্রে পরিবারকেন্দ্রিক বিশুদ্ধ সামাজিক জীব হওয়ার ভান করতে হতো, যা এখন আর করতে হয়না। — বাকি অংশ পড়ুন

কতিপয় ডায়লগ পার্ট , পার্ট ১ সিন ২

এইবারের বেশীরভাগ কাহিনী অন্যের মুখে শোনা। ভুল ভ্রান্তির জন্য মাফ চাই। জনৈক পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। ইন্টারে অনুশীলনীর গানিতিক সমস্যার সবসময় প্রথম অংকটা করাতেন। কেঊ যদি তখন জিজ্ঞাসা করতো, “স্যার ১২ নং অংকটা করিয়ে দেন।” তখন তার উত্তর “ওই একই, একই, same , same” বাকি অংশ পড়ুন

মনরে ওরে মন, তুই বড় বোকা…

মনরে ওরে মন, তুই বড় বোকা…

আমি ক্যাডেট লাইফে অনেকবার বোকা হয়েছি। আমার বোকামির ইতিহাস সুখপাঠ্য হবে কিনা জানি না, কিন্তু সেগুলো আমার আমার জন্য মোটেও উপভোগ্য ছিল না। ক্যাডেট কলেজের একজন ক্লাস সেভেনের ক্যাডেট এর জন্য পুরো জীবনটাই তখন এক দুর্বিষহ অত্যাচার এর মত ছিল। বিশেষ করে আমার বেড যখন ছিল প্রথম বেড এবং জানালার পাশের বেড। যে কোন সিনিয়র এর কোন কাজ করানোর দরকার হলেই তারা আমার উপর দয়া (!) করতেন। ফলে ক্লাস সেভেনে আমার বোকা হবার যথেষ্ট কারণ ছিল। বাকি অংশ পড়ুন

কতিপয় ডায়ালগ। পার্ট-১, সিন-১

 কলেজের অনেক ডায়লগ ভুলে গেছি। যেগুলো মনে আছে তার অনেকগুলোর জন্য অডিও ভিডিও ফাইল আপলোড করা দরকার (নাইলে ব্যপারটা ঠিক আসে না)। আর অনেকগুলোই অন্তর্জালের পরিবেশ দুষিত করার জন্য যথেষ্ট। তাই ভাবলাম শুধু কলেজের ডায়ালগ না দিয়ে এরকম আরও যত ডায়লগ জানি সব জড় করে ফেলি। তবে অবশ্যই ক্যাডেটদের। বাকি অংশ পড়ুন

কাঁঠাল চুরি ও জ্বালানী সমস্যার সমাধান

চুরি করা কাঁঠাল খাওয়ার মজাই আলাদা। আমি জীবনেও কাঁঠাল খাইতে পছন্দ করতাম না, কিন্তু কলেজে থাকার সময় কাঁঠাল চুরি কইরা, সেইটা খাওয়ার যে মজা, আমি কুনুদিনো ভুলুম না। যাইহোক, একবার কাঁঠাল খাইয়া আমি আর ইসলাম (২০১৬) হাতের কষ দূর করতে পারতাছি না। কাঁঠালের কষও ইমুন, হালার কুনো মতেই উডে না। শ্যাষে কি করুম, নিচে গিয়া, হাউস বেয়ারার রুম থেকে হারিকেন চুরি করলাম দুইটা। বাকি অংশ পড়ুন